বাংলাদেশে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ সেক্টর গুলো কী কী ??
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ইনফ্লেশন যা প্রতিবছর আমাদের জমাকৃত টাকা আস্তে আস্তে খেয়ে ফেলছে। তাই প্রতিদিন বেড়ে চলা এই ইনফ্লেশন এর সাথে লড়াই করতে আমাদের কিছু প্যাসিভ ইনকাম এর উপায় ভাবতে হবে কারণ আমাদের রেগুলার ইনকাম দিয়ে বেড়ে চলা এই ইনফ্লেশন কন্ট্রোল করে জীবনযাপন করা খুবই কঠিন। সেজন্য নিচে দেওয়া কিছু বিনিয়োগ আইডিয়া ফলো করে আপনি প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করে ইনফ্লেশন কে বীট করতে পারবেন।
( যেকোন বিনিয়োগ এর আগে নিজের রিসার্চ করুন এন্ড নিজের রিস্ক এ বুঝেশুনে ইনভেস্ট করুন )
- ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট
ক্রিপ্টো কারেন্সি তে প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করার অনেক ওয়ে আছে আপনি যদি একটু বুঝে শুনে ইনভেস্ট করতে পারেন তাহলে রেগুলার কিছু প্যাসিভ ইনকাম মেক করা পসিবল।
যদিও ক্রিপ্টো থেকে অনেক ভাবে ইনকাম করা যায় কিন্তু আমি আপনাকে পপুলার কিছু টিপস দিচ্ছি ফলো করতে পারেন।
- স্পট ট্রেডিং
স্পট ট্রেডিং করে প্যাসিভ ইনকাম করা খুবই সহজ হবে এন্ড খুব বেশি নলেজ এর ও প্রয়োজন হবে না। আপনি বেসিক জেনে ও শুরু করতে পারেন। আপনি সুইং ট্রেডিং করতে পারেন। সুইং ট্রেডিং হচ্ছে আপনি কোনো টোকেন এনালাইসিস করে কিনলেন সেটা ১ সপ্তাহ পরে সেল করে দিবেন আপনার লস থাকুক আর লাভ। তাছাড়া এটি খুব নিরাপদ একটি ওয়ে প্যাসিভ ইনকাম করার।
- ফিউচার ট্রেডিং
ক্রিপ্টো সম্পর্কে খুব বেশি নলেজ না থাকলে ফিউচার ট্রেডিং এভোইড করা উচিত। কেননা ফিউচার ট্রেডিং অনেক রিস্কি এন্ড শুরুতে ফিউচার ট্রেডিং না করাই ভালো। ফিউচার ট্রেডিং করে অনেক জন পথে বসেছে খুঁজলে অনেক এক্সাম্পল পাবেন।
- লংটার্ম ইনভেস্টমেন্ট
আপনি যদি অনেক ব্যাস্ত থাকেন এন্ড আপনার কাছে যদি বেশি ফান্ড থাকে তাহলে ট্রেডিং এর চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে লং টার্ম ইনভেস্টমেন্ট এর প্ল্যান করুন সেটাই আপনার জন্য বেস্ট হবে। কারণ ট্রেডিং করতে হলে মার্কেট এ রেগুলার টাইম দিতে হয় এন্ড ইনভেস্ট করতে হলে আপনার কাছে এনাফ ফান্ড থাকা প্রয়োজন তা নাহলে প্রফিট করতে পারবেন না।
2. শেয়ার -মার্কেট
শেয়ার বাজার এ কোম্পানির শেয়ার কিনে রাখতে পারেন কোম্পানি প্রফিট করলে শেয়ার এর দাম বাড়বে ভালো প্রফিট করতে পারবেন যদি বুঝে শুনে ভালো কোম্পানি এর শেয়ার কিনে রাখতে পারেন।
মার্কেট এ দেখুন কোন কোম্পানি প্রোডাক্ট এর ডিমান্ড ফিউচার এ বাড়তে পারে সেই কোম্পানি গুলার শেয়ার বুয়া করে রাখতে পারেন ভালো রিটার্ন পাবেন।
রিলেটেড কনটেন্ট চেক করুন 👇👇👇
✅ শেয়ার বাজারে সর্বনিম্ন কত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়?
✅ ট্রেডিং শিখতে যেসকল বিষয় জানা প্রয়োজন?
3. জমি -ফ্ল্যাট
- আমরা সকল এ জানি গত ১০ বছর এ জমির দাম কতটা বেড়েছে। এটা সামনে আরো অনেক বাড়বে বলে আশা করা যায় তাই আপনার কাছে যদি ল্যান্ড এ ইনভেস্ট করার মতো টাকা থেকে থাহলে নির্ভয়ে করতে পারেন। তবে এখানেও কিছু বিষয় আপনার নলেজ থাকতে হবে যেমন জমির কাগজপত্র বুজতে পারা।
- অন্যদিকে ফ্লাট কেনাবেচা করতে বা ভাড়া দিতে ও আপনার কথা বলার স্ক্রিল ভালো হতে হবে তানাহলে আপনি ফ্লাট কিনা বেচা ও এভোইড করতে পারেন। তবে আপনি জমি কিনি বাসা করে ভাড়া দিতে পারেন এটা আপনার জন্য ভালো হবে।
4. গোল্ড -মিউচুয়াল ফান্ড
- গোল্ড এর দাম গত ৫-১০ বছরে যে পরিমাণ বৃদ্দি পাইছে তা আমরা সবাই জানি এন্ড সামনে গোল্ড এর দাম আরো অনেক বাড়বে এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই তাই গোল্ড এ বিনিয়োগ করতে পারেন। গোল্ড ২ ভাবে কিনতে পারেন।
১. ফিজিক্যাল কিনে লকার এ রাখতে পারেন সেফ ওয়ে।
২. অনলাইন অনেক ফ্লাটফর্ম আছে যেগুলা জাচাই - বাছাই করে সেখান থেকে নিতে পারেন।
- শেয়ার বাজার থাকি ভালো মিউচুয়াল ফান্ড কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারেন। মিউচুয়াল ফান্ড নিয়ার আগে অবশ্যই সকল ডকুমেন্ট বুঝে নিবেন এন্ড ভালো কোম্পানি সিলেক্ট করবেন।
5. ইন্স্যুরেন্স -ব্যাংক স্কিম
- শেয়ার বাজার থেকে ভালো ভালো ইন্সুরেন্স কোম্পানি গুলার শেয়ার কিনতে পারেন অথবা নিজের জন্য বা ফ্যামিলির জন্য বিভিন্ন ধরণের ইন্সুরেন্স নিতে পারেন যা আপনার বিপদ এর সময় কাজে দিবে। ভালো ইন্সুরেন্স কোম্পানি বেঁচে নিবেন কারণ অনেক সময় ইন্সুরেন্স ক্লেম করার টাইম এ অনেক কোম্পানি আছে যারা জামেলা করে।
- ব্যাংকের অনেক টাইপ এর সরকারি এন্ড বেসরকারি স্কিম বের হয় সেগুলা নিতে পারেন ভালো প্রফিট করতে পারবেন। তবে এগেইন বলতেসি সব ডিটেল্ডস জেনে নিবেন।
6. টেলিযোগাযোগ সেক্টর
ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের বৃদ্ধির কারণে টেলিযোগাযোগ খাত দ্রুত উন্নতি করছে। মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস এবং টেলিকম কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ ভবিষ্যতে ভালো রিটার্ন দিতে পারে। তাই আপনি চাইলে শেয়ার মার্কেট থেকে টেলিকম কোম্পানি গুলোর শেয়ার কিনতে পারেন আসা করি লস হবে না এটা খুবই স্মার্ট মুভ হবে।


0 মন্তব্যসমূহ